রবিবার, ২৮ ফেব্রুয়ারী ২০২১, ০২:১৬ পূর্বাহ্ন
নোটিশ ::
প্রতিনিধি নিয়োগ চলছে। বিস্তারিত জানতে : 01712-758460 | প্রতিনিধি নিয়োগ চলছে। বিস্তারিত জানতে : 01712-758460 | প্রতিনিধি নিয়োগ চলছে। বিস্তারিত জানতে : 01712-758460 |

রোহিঙ্গা ইস্যুতে অন‌্যায় করে যাচ্ছে মিয়ানমার

অনলাইন ডেস্ক
  • আপডেট সময় বৃহস্পতিবার, ২৮ জানুয়ারী, ২০২১
  • ১০ বার পড়া হয়েছে
প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা

প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা বলেছেন, আঞ্চলিক নিরাপত্তা ও উন্নয়নের স্বার্থে রোহিঙ্গা ইস্যুতে মিয়ানমারের সঙ্গে দ্বন্দ্বে জড়ায়নি বাংলাদেশ। তবে রোহিঙ্গা ইস্যুতে তারা অন‌্যায় করে যাচ্ছে।

বৃহস্পতিবার সকালে গণভবন থেকে ভিডিও কনফারেন্সে ডিফেন্স সার্ভিসেস কমান্ড অ্যান্ড স্টাফ কলেজ (ডিএসসিএসসি) ২০২০-২০২১ কোর্সের গ্রাজুয়েশন সিরিমনিতে অংশ নিয়ে তিনি এ কথা বলেন

প্রধানমন্ত্রী বলেন, কারও সঙ্গে দ্বন্দ্ব নয়, আলোচনার মাধ‌্যমেই আশ্রিত ১০ লাখ রোহিঙ্গাকে মিয়ানমারে ফেরত পাঠাতে চায় বাংলাদেশ।’

তিনি বলেন, আপনারা জানেন, মিয়ানমার থেকে আমাদের দেশে প্রায় ১০ লাখ রোহিঙ্গা আশ্রয় নিয়েছে। আমরা তাদের আশ্রয় দিয়েছি। আঞ্চলিক নিরাপত্তা ও উন্নয়নের স্বার্থে মিয়ানমার থেকে জোর করে বাস্তুচ্যুত করা দেশটির নাগরিকদের আশ্রয় দান এবং নিজ দেশে যাতে ফিরে যেতে পারে, সেজন্য আমরা কিন্তু কারো সঙ্গে কোনো দ্বন্দ্বে লিপ্ত হইনি।

‘আমরা মিয়ানমারের সঙ্গে আলাপ আলোচনা চালিয়ে যাচ্ছি। আলোচনার মাধ্যমে তারা যেন তাদের নাগরিকদের ফিরিয়ে নিয়ে যায়। একটা বন্ধুত্বসুলভ মনোভাব নিয়েই আমরা এ কাজ করে যাচ্ছি। তবে যারা অন্যায় করছে নিশ্চয়ই সেটা আমরা বলবো। আমরা চাই, তারা তাদের নাগরিকদের ফেরত নিয়ে যাক।’

শেখ হাসিনা বলেন, এতোজন বাস্তুচ্যুত মানুষ, যারা নির্যাতিত হয়েছিল, তাদের আশ্রয় দেওয়ায় সারা বিশ্ব আমাদের প্রশংসা করেছে, সাধুবাদ জানাচ্ছে।

প্রধানমন্ত্রী বলেন, আমাদের পররাষ্ট্রনীতির মূল মন্ত্র হচ্ছে- সবার সঙ্গে বন্ধুত্ব, কারো সঙ্গে বৈরিতা নয়। এ নীতিমালা জাতির পিতা আমাদের দিয়ে গেছেন। আর এ নীতিমালা অনুসরণ করেই আমরা আন্তঃরাষ্ট্রীয় সুসম্পর্ক বজায় রেখে এগিয়ে যাচ্ছি। কেউই বলতে পারবে না যে বাংলাদেশের সঙ্গে কোনো দেশের সঙ্গে কোনো বৈরি সম্পর্ক আছে। আমরা মোটামুটি সবার সঙ্গে বন্ধুত্বপূর্ণ সম্পর্ক নিয়ে চলছি।

মুজিববর্ষে সরকারের অঙ্গীকারের কথা তুলে ধরে তিনি বলেন, মুজিববর্ষে আমাদের অঙ্গীকার, এ দেশে একটি মানুষও ভূমিহীন থাকবে না, গৃহহারা থাকবে না। প্রতিটি মানুষের ঠিকানা হবে। প্রতি ঘরে ঘরে আলো জ্বলবে। প্রতিটি মানুষ শিক্ষা এবং স্বাস্থ‌্য সেবা পাবে। উন্নত জীবন পাবে, সুন্দরভাবে বাঁচবে। প্রতিটি গ্রাম শহরে রূপান্তরিত হবে। প্রত‌্যেকে গ্রামে বসে নাগরিক সুবিধা পাবে। সেভাবেই আমরা বাংলাদেশকে গড়ে তুলতে চাই।

দেশের মানুষ জলবায়ুর অভিঘাত থেকে রক্ষা পাবে পাশাপাশি এ দেশটা আরও সুন্দর করে গড়ে উঠবে সেদিকে লক্ষ্য রেখে ‘ডেলটা প্ল্যান ২১০০’ করা হয়েছে জানিয়ে তিনি বলেন, এর কাজও শুরু করেছি। যাতে করে এই দেশটি আরও উন্নত সমৃদ্ধশালী হয়। প্রজন্মের পর প্রজন্ম যেন উন্নত জীবন পায়, সুন্দর জীবন পায়। আমাদের স্বাধীনতা অর্থবহ হবে। এর সুফল প্রতিটি মানুষের ঘরে পৌঁছাবে। বাংলাদেশ হবে ক্ষুধামুক্ত, দারিদ্রমুক্ত উন্নত সমৃদ্ধ, অসম্প্রদায়িক দেশ।

প্রধানমন্ত্রী আরও বলেন, আমরা করোনাভাইরাস মোকাবিলা করছি, ইতিমধ্যে করোনার ভ্যাকসিন চলে এসেছে এবং তা দেওয়ার কার্যক্রমও শুরু করেছি। বাংলাদেশের সবাই সুরক্ষিত থাকুক, সুস্বাস্থ‌্যের অধিকারী হোক, সেটাই কামনা করি।

মিরপুর সেনানিবাসের শেখ হাসিনা কমপ্লেক্স প্রান্তে এই সময় ডিফেন্স সার্ভিসেস কমান্ড অ্যান্ড স্টাফ কলেজের কমান্ডেন্ট মেজর জেনারেল মো.জুবায়ের সালেহীনসহ ঊর্ধ্বতন কর্মকর্তারা উপস্থিত ছিলেন।

নিউজটি শেয়ার করুন

এই বিভাগের আরো খবর
© All rights reserved © 2018 mcnewsbd24.Com
Customized by Mcnewsbd24.Com