বন্ধ পাবলিক টয়লেট, গেটের সামনে সিগারেটের দোকান বিব্রত রোগী ও স্বজনরা মানিকগঞ্জ ২৫০ শয্যা বিশিষ্ট জেলা সদর হাসপাতালের প্রধান ফটক দীর্ঘদিন ধরে যেন ‘নিরাপদ ধূমপানের আড্ডা খানায়’ পরিণত হয়েছে।
হাসপাতালের মেইন গেটে প্রবেশ করলেই চোখে পড়ে প্রকাশ্যে ধূমপান ও আড্ডার দৃশ্য। যেখানে প্রতিনিয়ত চিকিৎসাসেবা নিতে আসা অসংখ্য রোগী, নারী, শিশু ও স্বজনদের চলাচল করতে হয়।
হাসপাতলেসংলগ্ন পাবলিক টয়লেটটি দীর্ঘদিন ধরে বন্ধ পড়ে থাকলেও তার বিপরীতে টয়লেটের ইজারাদার গেটের সামনে সিগারেটের দোকান খুলে বসেছেন। ফলস্বরূপ গেইটের দুই পাশ ও সামনের এলাকাটি ধূমপায়ী ও আড্ডাবাজদের স্থায়ী অবস্থানে পরিণত হয়েছে।
স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সের সম্মুখে এমন বেহাল ও অসঙ্গত পরিবেশে বিব্রত হচ্ছেন রোগীরা। বিশেষ করে নারী রোগী, বয়স্ক ও শিশুদের সামনে এ ধরনের প্রকাশ্য ধূমপান এবং ভিড় হাসপাতালের ভাবমূর্তি প্রশ্নবিদ্ধ করছে বলে অভিযোগ সাধারণ মানুষের।
একজন রোগীর স্বজন ক্ষোভ প্রকাশ করে বলেন, হাসপাতালের গেট পার হতেই সিগারেটের ধোঁয়া। কোথাও যেন রোগীর পরিবেশ নেই। বাইরে ধূমপান, ভেতরে গেটের সামনে দোকান এগুলো কে দেখবে
স্বাস্থ্য সেবার পরিবেশ বজায় রাখতে হাসপাতাল এলাকায় ধূমপান সম্পূর্ণ নিষিদ্ধ হলেও প্রশাসনিক তদারকির অভাবে নিয়মটি যেন কার্যত কাগজে কলমেই সীমাবদ্ধ। হাসপাতালের সামনে ধূমপান নিয়ন্ত্রণ তো দূরের কথা, বরং সুবিধাজনক স্থানে সিগারেটের দোকানই রোগী ও স্বজনদের জন্য অতিরিক্ত ভোগান্তির কারণ হয়ে দাঁড়িয়েছে।
স্থানীয়রা অভিযোগ করেন, মেইন গেটে টয়লেটটি সচল না থাকায় পথচারী ও রোগীর স্বজনরা চরম দুর্ভোগে পড়ছেন। কিন্তু টয়লেট বন্ধ থাকলেও সেখানে ইজারাদারের উপস্থিতি এবং গেটের সামনে দোকান বসানো প্রশাসনের গাফিলতিরই প্রমাণ।
দ্রুত ধূমপান নিয়ন্ত্রণ, গেট এলাকায় শৃঙ্খলা ফিরিয়ে আনা এবং বন্ধ পাবলিক টয়লেট চালু করার দাবি তুলেছেন সাধারণ মানুষ। অন্যথায় হাসপাতালের পরিবেশ, রোগীর সেবা ও নিরাপত্তা আরও মারাত্মকভাবে ক্ষতিগ্রস্ত হবে বলেও আশঙ্কা করছেন তারা।