মঙ্গলবার, ০৩ ফেব্রুয়ারী ২০২৬, ০৪:১৬ অপরাহ্ন
শিরোনাম :
তিন দিনব্যাপী নানা আয়োজনে বরংগাইল গোপাল চন্দ্র উচ্চ বিদ্যালয়ের বার্ষিক মিলাদ মাহফিল সম্পন্ন। নিরপেক্ষতা প্রশ্নবিদ্ধ রিটার্নিং কর্মকর্তাদের অবিলম্বে অব্যাহতির দাবি গুম সংক্রান্ত প্রতিবেদন তুলে ধরলো কমিশন সুপ্রিম কোর্ট নিয়ে অসত্য সংবাদ প্রকাশ করলে আদালত অবমাননার দায় নিতে হবে একইদিনে সংসদ নির্বাচন ও গণভোটের তফসিলের বৈধতা চ্যালেঞ্জ করে রিট মানিকগঞ্জে মনোনয়ন যাচাই ঘিরে স্বতন্ত্র প্রার্থীর হেনস্তার অভিযোগ, তদন্তের আশ্বাস। শিবালয়ে শীতার্ত ও প্রতিবন্ধীদের মাঝে BHRC এর শীতবস্ত্র বিতরণ জয়শঙ্করের সফর রাজনৈতিক দৃষ্টিভঙ্গিতে না দেখার পরামর্শ নতুন বইয়ে উচ্ছ্বাস প্রাথমিকের শিশুদের, অপেক্ষায় মাধ্যমিক শিক্ষার্থীরা স্ত্রীসহ বিপ্লব কুমারের ব্যাংক হিসাব ফ্রিজ করার নির্দেশ

মানিকগঞ্জ জেলার ঘিওর উপজেলার বানিয়াজুরি ইউনিয়নের সরকারি স্কুল অ্যান্ড কলেজের ভারপ্রাপ্ত অধ্যক্ষ রবীন্দ্রনাথ দাসের বিরুদ্ধে অর্থ আত্মসাৎ, দুর্নীতি ও বিভিন্ন অনিয়মের অভিযোগ উঠেছে।

নিজস্ব প্রতিবেদক
  • আপডেট টাইম : রবিবার, ৯ নভেম্বর, ২০২৫
  • ১০৭৪ বার পঠিত

শিক্ষক ও কর্মচারী অত্র বিদ্যালয়ের ছাত্র-ছাত্রীদের অভিভাবকদের সূত্রে জানা যায়,গত-৩০-১০-২০২৫ ইং তারিখে জেলা প্রশাসক মানিকগঞ্জ বরাবর অধ্যক্ষ (ভারপ্রাপ্ত) রবীন্দ্রনাথ দাস এর বিরুদ্ধে অর্থ আত্মসাৎ, দুর্নীতি ও বিভিন্ন অনিয়মের বিরুদ্ধে অভিযোগ দাখিল করেন।

বিগত-২০২৪ সালের ১৪ জুলাই সরকারি নিয়োগ পাওয়ার পর থেকেই অধ্যক্ষ রবীন্দ্রনাথ দাস প্রশাসনিক অনিয়ম, বাজেটের অপচয় ও অর্থ আত্মসাতে জড়িয়ে পড়েন বলে অভিযোগ রয়েছে।

অভিযোগে বলা হয়েছে, ২০২৪-২৫ অর্থবছরে প্রশাসনিক ব্যয় বাবদ প্রাপ্ত ৪ লাখ ৬৭ হাজার টাকার মধ্যে ২১টি খাতে দেখিয়ে ৩ লাখ ৮৮ হাজার ৭০০ টাকা উত্তোলন করা হয়েছে। এর মধ্যে কর্মচারীদের পোশাক বাবদ ১৫ হাজার টাকা বরাদ্দ থাকলেও তারা সেই অর্থ পাননি। এছাড়া প্রতিষ্ঠানে পানি সরবরাহ ব্যবস্থা না থাকা সত্ত্বেও ২৫ হাজার টাকা খরচ দেখানো হয়েছে।

এছাড়াও বইপত্র, রসায়ন দ্রব্য ও আশ্বাসপত্র খাতে ৫০ হাজার টাকা এবং কম্পিউটার খাতে ৫০ হাজার টাকা খরচ দেখানো হলেও বাস্তবে কোনো ব্যয় করা হয়নি বলে অভিযোগে উল্লেখ আছে।

অন্যদিকে, ২০২৪-২৫ শিক্ষাবর্ষে ষষ্ঠ থেকে নবম শ্রেণির শিক্ষার্থীদের ভর্তি বাবদ সংগৃহীত ৬২ হাজার ৬৯৭ টাকার হিসাব না দিয়ে নিজে আত্মসাৎ করেছেন বলে জানা গেছে। শিক্ষক পরিষদের পক্ষ থেকে এ বিষয়ে অধ্যক্ষের কাছে জানতে চাইলে তিনি টাকা ফেরত যাওয়ার অজুহাত দেন, কিন্তু উপজেলা হিসাবরক্ষণ অফিসের তথ্য অনুযায়ী তিনি উক্ত টাকা উত্তোলন করেছেন।

শিক্ষক পরিষদের অভিযোগ, অধ্যক্ষ প্রতিষ্ঠানকে দ্বিখণ্ডিত করে স্কুল ও কলেজ বিভাগ আলাদা করে পরিচালনা করছেন, ফলে স্কুল শাখায় শিক্ষকের সংকট এবং কলেজ শাখায় কার্যক্রম প্রায় স্থবির হয়ে পড়েছে।

শিক্ষক-কর্মচারীরা এই দুর্নীতি ও অনিয়মের সুষ্ঠু তদন্ত ও প্রশাসনিক ব্যবস্থা গ্রহণের জন্য সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষের হস্তক্ষেপ কামনা করেছেন।

বানিয়াজুরি ইউনিয়নের সরকারি স্কুল অ্যান্ড কলেজের ভারপ্রাপ্ত অধ্যক্ষ রবীন্দ্রনাথ দাসের বিরুদ্ধে অর্থ আত্মসাৎ, দুর্নীতি ও বিভিন্ন অনিয়মের বিষয়ে গত ০৭ নভেম্বর রোজ বৃহস্পতিবার ২০২৫ ইংরেজি তারিখে মুঠোফোনে জানতে চাইলে ভারপ্রাপ্ত অধ্যক্ষ রবীন্দ্রনাথ দাস ফোন রিসিভ করেননি।

নিউজটি শেয়ার করুন

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *

এ জাতীয় আরো খবর..
Registration number-p-35768