মানিকগঞ্জ বাসস্ট্যান্ড ও আশপাশের গুরুত্বপূর্ণ পয়েন্টগুলোতে আইনশৃঙ্খলা রক্ষাকারী বাহিনীর সতর্ক অবস্থান জোরদার করা হয়েছে। সাম্প্রতিক রাজনৈতিক উত্তেজনা এবং আলোচিত মামলার রায় ঘোষণাকে কেন্দ্র করে সম্ভাব্য অনাকাঙ্ক্ষিত পরিস্থিতি মোকাবিলায় এ ব্যবস্থা নেওয়া হয়েছে বলে জানিয়েছে পুলিশ।
রোববার (১৬ নভেম্বর) মাত্র এক ঘণ্টার ব্যবধানে মানিকগঞ্জে চারটি ককটেল বিস্ফোরণের ঘটনা ঘটে। এসব ঘটনার পরবর্তী পরিস্থিতিতে দুই রিকশাচালক আহত হন। ঘটনাটিকে ঘিরে সোমবার সকাল থেকেই মানিকগঞ্জ বাসস্ট্যান্ড এলাকায় অতিরিক্ত পুলিশ মোতায়েন করা হয়।
প্রত্যক্ষদর্শীরা জানান, দিনের শুরু থেকেই মহাসড়কে দূরপাল্লার যানবাহনের সংখ্যা স্বাভাবিকের তুলনায় উল্লেখযোগ্যভাবে কম দেখা গেছে। নিরাপত্তা ব্যবস্থার অংশ হিসেবে মহাসড়ক ও গুরুত্বপূর্ণ মোড়গুলোতে পুলিশের টহল ও চেকপোস্ট কার্যক্রম জোরদার করা হয়েছে।
মানিকগঞ্জের অতিরিক্ত পুলিশ সুপার (ক্রাইম) মো. আব্দুল্লাহ আল-মামুন জানান,
“আমরা গত কয়েকদিন ধরে মাঠে আছি এবং সার্বক্ষণিক পরিস্থিতি মনিটরিং করছি। জেলার গুরুত্বপূর্ণ পয়েন্টগুলোতে পুলিশ ও অন্যান্য সংস্থার সদস্যরা সতর্ক অবস্থানে রয়েছে। জনগণের নিরাপত্তা নিশ্চিত করাই আমাদের প্রধান লক্ষ্য।”
পুলিশের বাড়তি নজরদারির কারণে শহরের বিভিন্ন স্থানে সতর্কতা লক্ষ্য করা গেছে। প্রশাসনের পক্ষ থেকে জানানো হয়েছে, কোনো ধরনের অস্থিতিশীলতা বা নাশকতা এড়াতে প্রয়োজনীয় সব ব্যবস্থা গ্রহণ করা হয়েছে।
সোমবার সারাদিনই মানিকগঞ্জ বাসস্ট্যান্ড এলাকা ও মহাসড়কে আইনশৃঙ্খলা রক্ষাকারী বাহিনীর উপস্থিতি ছিল বেশ দৃশ্যমান, যা সাধারণ জনমনে নিরাপত্তাবোধ বাড়িয়েছে।